রাফি হোসেনের বয়স ২৮। ঢাকার মিরপুরে থাকেন, ছোট একটি ই-কমার্স ব্যবসা চালান। ২০২৬ সালের শুরুর দিকে এক বন্ধুর কাছে প্রথম okok app-এর কথা শোনেন। শুরুটা খুব একটা পরিকল্পিত ছিল না – কৌতূহলবশত নিবন্ধন করেছিলেন, প্রথম সপ্তাহে ক্যাসিনো সেকশনে কিছুটা সময় কাটান।
কিন্তু রাফির মন আসলে ক্রিকেটে। বাংলাদেশ-ভারত সিরিজ চলাকালীন তিনি okok app-এর লাইভ বেটিং ফিচার ব্যবহার করে দেখেন – আর সেখান থেকেই শুরু হয় তাঁর আসল যাত্রা।
কৌশল কী ছিল রাফির?
রাফি প্রথম তিন মাস বেটিং করেননি, শুধু okok app-এর লাইভ অডস দেখেছেন। কোন ম্যাচে অডস কখন ওঠানামা করে, কোন পরিস্থিতিতে বুকি লাইন পরিবর্তন করে – এসব বোঝার চেষ্টা করেছেন। এই পর্যবেক্ষণের অভ্যাসটাই পরে তাঁকে সুবিধা দিয়েছে।
"প্রথমে মনে হতো বেটিং মানে ভাগ্যের খেলা। কিন্তু okok app-এর লাইভ স্ট্যাটিস্টিক্স দেখতে দেখতে বুঝলাম – তথ্যই আসল শক্তি। দলের সাম্প্রতিক ফর্ম, পিচ কন্ডিশন, টস – এগুলো একসাথে মিলিয়ে দেখলে অনেক কিছু আন্দাজ করা যায়।"
বোনাস কাজে লাগানো
নিবন্ধনের সময় okok app-এর ১০০% ফার্স্ট ডিপোজিট বোনাস পেয়েছিলেন রাফি। সেই বোনাসটি তিনি ছোট ছোট বেটে ভাগ করে ব্যবহার করেন – একসাথে সব না লাগিয়ে ধীরে ধীরে। এই কৌশলে ওয়াগারিং শর্ত পূরণ করা অনেক সহজ হয়েছিল।
টাকা তোলার অভিজ্ঞতা
রাফি প্রথমবার উইথড্র করেছিলেন ৩,৫০০ টাকা। Mobile Pay-এ রিকোয়েস্ট করার পর মাত্র ৮ মিনিটে টাকা ঢুকেছিল। এরপর থেকে তিনি নিয়মিত মাসে দু-তিনবার উইথড্র করেন। তাঁর মতে, পেমেন্টের গতিই okok app-কে অন্যদের চেয়ে আলাদা করে।
রাফি সর্বদা ডিপোজিট সীমা সেট করে রাখেন – মাসে সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা। তাঁর মতে, এই অভ্যাসটি দীর্ঘমেয়াদে বেটিং উপভোগযোগ্য রাখে।